ভালবাসাই শেষশব্দ // ৩০ – ৫০ // মাধব মন্ডল

shruti

৩০

তোর কাছে আর কি আছে!
চোখ রেখেছি বুক পকেটে
ঠোঁট রেখেছি আমার ঠোঁটে
এই যে আমার ঘর গেরস্থালি
ঐ দেখা যায় আমার পোঠে।
তোর কাছে আর কি আছে!
গোলাপের পাপড়িগুলো
করেছি গুঁড়ো গুঁড়ো
রোজ রোজ গায়ে দিয়ে
করেছি হুড়ি হুড়ো।
তোর কাছে আর কি আছে!
সন্তানে সুখ চেয়েছিলি
এক মিনিটে ও সুখ নিলি
ওর হাসিতে ভাগ যে দিলি
রোদ উঠেছে ঝিলিমিলি।
তোর কাছে আর কি আছে!!
.
.
.

৩১

দেখেও সুখ
ছুঁয়েও সুখ
কাজের বেলা নয়!
চোখ তারাতে ঝিলিক রেখা
মুখে বল ভয়!
হায় গো হায়!
হায় গো হায়!
সবার দেখ আগুন মাস
নাচতে নাচতে যায়।
বাঁশের বনে বউ কথা কও
হলুদ ছড়ায় গায়।
তোর গায়ের বাতাস দুষ্টু দুষ্টু
গান গেয়ে যায়।
.
.
.

৩২

কান ধরে দাঁড়িয়ে আছি
সেই কবে থেকে
বাঁশিটা বানাব আমি
বাঁশ যাক পেকে।
আপাতত তোমার দাওয়াই
হাওয়াই চটি পায়ে
অ আ শিখি একদমে
কাদা কেন দাও গায়ে।
তা’বলে ভেবোনা মনে
ছাড়ান তুমি পাবে
বাঁশিটা তৈরি হোক
মাঝরাতে ধরে খাবে।
কান ধরে যা শেখালে
শেখাল যা হাওয়াই চটি
ভেবোনা সেটাই করব আমি
পকপক ঝটপটি।
.
.
.

৩৩

তোমার প্রথম শাড়ির শিহরণ
আমি তো পাইনি
ডেকেছে অনেকে
কিন্তু কোথাও যাইনি।
তোমার মাখানো ডাল আলু ভাতে
খেয়েছি চেটেচুটে
অবাক হেসেছো তুমি
ছিলে না খুঁতখুঁতে।
আঁচলে মুখটা মুছে
বাড়িয়েছি যেই মুখ
আকাশ থেকে ঝরেছে
শুধু টুকরো টুকরো সুখ।
আহা, কি ছোঁয়া পেয়েছিল
আকাশ বাতাস
টুপ করে বৃষ্টি নামে
মনকে মাতাস।
.
.
.

৩৪

পিছনে ফিরব না, পিছন ফিরবই না
যতই ডাক, ডেকেই চলো আয় আয় চৈ চৈ।
অনেকটা রাস্তা পেরিয়েছি একা, বন-বাদাড়
আমাকে এটাই মানায়, বলেছিলে একদিন।
হিসেব মিলেছে, বুঝিয়েছিও পাই-পয়সায়
এবার মগডালে বসে আমিই ডাকব চৈ চৈ।
রক্ত ঝরে? ঝরুক না! জমিয়ে আমার কি হবে?
মনে পড়ে? তোমাকেও জ্বালিয়েছি কত দিন!
মিছিলেও হাঁটিনি অনেক দুপুর ও সন্ধ্যেয়
ভার্সিটি শেষ হলে সব তো মেকি মনে হল।
অকারণে কারণে অপেক্ষায় সেই শেষ মিছিলের
যা কিনা ভালবাসাই শেষশব্দ এঁকে হেঁকে দেবে।
.
.
.

৩৫

ছায়া ছায়া ভাসা ভাসা
ব্যাপক কারুকাজ
গ্রেপ্তার করে আশা
মারো না ঝাড়ু আজ!
বাক্যবাণে ঝলসে
ঝলসে যায় শখ
ইতর ভাষার কথা
চেটে খায় ত্বক।
কেন তুমি এটা কর
দিতে পার ছাড়ান
চোখের তারা তো বলে
আগমণীর গান!
কত আশা পাশ ফেরে
অসময় দাঁতে
ঠোঁট দুটো দাগ চায়
শীতের শীত রাতে।
.
.
.

৩৬

কখনও ভারী কখনও হালকা
মনটা কি আকাশ?
কি ভেবে করেছেো হৃষ্টপুষ্ট গো
গুলিয়েছো বাতাস!
কথার লাভাতে পোড়ে ছেঁড়ে কথারা
এই কি চেয়েছিলে?
এফোঁড় ওফোঁড় ঘর গেরস্থালি
কিসে কি পেয়েছিলে!
বিষ ছুঁড়ে ছুঁড়ে কি লাভ হয়েছিল?
চোখেতে জল জল!
মনে হাড়ে জানা আমরা তো কানা!
সাগরে চল চল।
ঢেউ খেলে খেলে ঝিনুক হাতে তুলে
ঝাউঝোপে বসি গে’
সূর্য্যের গানে জলের হুল্লোড়
বসে অাঁক কষি গে’।
শীতের শীত রাতে।
.
.
.

৩৭

ভালবেসে মেখেছো কাদা
কি আর করা যাবে!
তবু তো ভালই বেসেছিলে
লোকে তো গল্পটাই খাবে।
রহস্য রহস্য কাদাতেও সুখ!
দুর্ভোগ পোহাবে গোলাপ
জ্বরে জ্বরে খাবে তাকে
যত পারে বকুক প্রলাপ!
প্রলাপ কি করবে? কান ধরেছে
কাঁটাগুলো আরো সূঁচালো
মামা কাকা দাদা আরো
হয়েছে কূটালো!
কাদা তুই ধুয়ে ফ্যাল
নীচে কত মুনি
একে দুই তিনে তিরিশ
হাতে হাতে গুণি।
কাদার ধর্মমত বড়ই আঠালো
জানোয়ার গজিয়ে ওঠে
গোলাপের বেছানো বিছানায়
তাজা রক্ত গলগল ছোটে।
গোলাপ তারই মতো
কাদাটা কাদা
খেয়ে দেখ মেখে দেখ
তবে না কাটবে ধাঁধা!!
.
.
.

৩৮

মনের ছায়া ছায়ার মন
ধোঁয়া ওঠা চায়ের মত
মিলিয়ে যায়, হিম মেরে যায়
তৎক্ষণাৎ, তুমি পাশে থাক যত।
এঁটেল মাটির চিট চিট আঠা দিই
ফ্যানের মাড়, আহা কতদিন
বানের জলেরা সব তো চোখে
নরম কথা বলোনি যতদিন।
ভিখিরি চামড়ায় কত ছোপ
কত গরম কথার শিঁক ছ্যাঁকা
তুমিই তো দেখি এখন ভিখিরি
কোন সেবা চাও সোজা ব্যাঁকা!
গোটা ভূত্বক তোকেই দেব বলে
স্বপ্ন মেখে এটা সেটা গিলি
টুকরো টুকরো হয়ে গেছি কখন
তুই তো জল অচল করেছিলি।
.
.
.

৩৯

পাখি তুই উড়তে চাইছিস
ঐ তো আকাশ,পাহাড় যা।
আমি তো থাকবই এই
মাটি ঘাস উসখুস জীবে।
থাকবই কাজে অকাজে
ফাটা ঘরে
কান চেপে
অগন্ধ ফুলে
পড়ে থাকা বাসি কাপড়ে।
এই ছোট্ট ভূত্বকে
ক’টাই বা আকাশ,পাহাড়!
উড়তে উড়তে ডানা যদি ভেঙে যায়!
আরে, আমি তো আছি চুপ এধারে!
ডানা তোর টাটা স্টীল হোক
সঙ্গী হোক গলা গলা শ্বাস
আগের স্মৃতিরা কুয়াশা হোক
আমি মুখ লুকাই গায়ে পড়ে তার।
তারপর হাজার বছর পর
নরম কোন এক সময়ে
আসিস আবার ফিরে।
সেদিন হয়তো পাখি তুই
পাকা বট ফলে মেশাবি লালা
আমার বিষ ক্ষিদে চলে যাবে।
.
.
.

৪০

সুর ডাকছে কান খোলা
“মরমে পশিল গো আকুল করিল প্রাণ”
এ জীবন খরস্রোতা নদী
করেছি তোকে কথা দান
আহা, মরি মরি
তুইও ডাকালি ঐ তো হড়কা বান!
আহা, মরি মরি!
কুচো চিংড়িও জোটেনি
কলমী শাকের পোড়াটে চচ্চড়ি
অসময়ে বক ফুল ফোটেনি
এটা আনতে ওটা ফুরায়
কি বলিস মন আমার পাহাড় চূড়ায়!
তেজপাতা তেজপাতা খেলা
এবেলা ওবেলা ওবেলা এবেলা।
তার বেলা!
.
.
.

৪১

এখন অঝোরে বৃষ্টি, মনচোখ নিজে মুছে নে, কেউ কি ফেলল দেখে? ভূত্বকের গলিত মাটি গায়ে মাখ, ছেঁড়া কোঁড়া জীবেদের কাছে থাক, ওদেরকেই রং চেনা।
ঘাসের পাতায় ফড়িং লুকোচুরি খেলে, আশিক শেষ সময়ে এম পি র পড়া পড়ছে, ছ`ঘরা পাড়ার গোটাকি ভালবেসে পরের বউকে উপড়ে এনেছে,সোটাকি বে`র দিন ধরা পড়ল, অনেক আগেই ঐ মেয়ের সঙ্গে তার ও কম্মটি সারা, কি লজ্জা কি চেল্লামেল্লি!
মনচোখ মুছে ফেল বাছা, ওরা তো তোকে চায় লাউ ঘ্যাঁটে, সংক্রান্তির পিঠে আর ঐ পয়লা বৈশাখে, কি আবেগে দিন বদলের আশায় বইকে বালিশ করে শোয়, তুই কি ভেবেছিলি পঁচিশটা বছর অনেক মিনিট ঘন্টা, ভেবেছিলি নোবেল আসবে ছুটে!
এখন অঝোরে বৃষ্টি, ঘোর অসময়, চোখ মুছে ফ্যাল বাপ, ঐ দেখ দশকড়ি, বারোকড়ি আসছে, তোর মাথার ক`য়েকটা চুল দিবি বলেছিলি, খাল ধারে পুঁতে চুলগাছ গড়বে বলেছে ওরা, ভূত্বক শান্তির চুলে উঠুক ভ’রে!
.
.
.

৪২

এখন আমি সবটা না হলেও কিছুটা বুঝি
চোখ কান নাক সব একটু বেড়েছে কিনা!
সেই কবে থেকে জ্বরে পড়েছি, পড়েছি তো পড়েছি
বুঝতে পারছি ভালবাসলে জ্বর হয় কিনা!
মা বাবা বলে উঠলে রাত
তুমি তখন এইমাত্র ফাটা শিমূল!
কোন সেকেন্ড থেকে তুমি জল খেলবে
আমি জানি, আমি জানি তোমার লম্বা চুল।
মনে আছে তোর, ফুঁ দিয়ে ঘাড়ের চুল ওড়ানো?
মনে কি আছে, সব আগাম বলা ভুল, হায় ভুল!!
.

.

৪৩

লড়াই এর পতাকা ওড়ে পৎপৎ
কি চাইব!!
শুধু লড়ে যাওয়া
ফুলকুঁড়িও লড়ে কীটের কামড়ে।
বেড়ে ওঠি সাবধানে
জলে আর ঢিপিতে শকুনের গন্ধ ছায়ারা
মানকচু পাতায় বসা রোদের কণারা তবুও হাসি হাসি।
তোর নোনা জলে বাঁধ লাগা
আমি তো লড়বই
কি শীত কি বৈশাখে।
কথার ভেতরে কথা উঁকি দেয়
বাজখাঁই গলা হয় পাপড়ির মত
আমি তাই সাবধানে উঠি বেড়ে
ভূত্বক জঙ্গলে কারো দাঁত ভোঁতা নয়।
.
.
.

৪৪

কি সুন্দর কি সুন্দর দিন এসেছে আজ
আমার সৃষ্টিরা আমাকেই তুলোধোনা করে!!!
আশ্চর্য এক সহ্য ক্ষমতায় চুপচাপ
এখন মুখ বন্ধ রাখার সময় কিনা!!7
সকাল সন্ধ্যে শীত
দুপুরে গাছে গাছে আগুন মাস
যে তাকে গড়ে তাৃকেই এরা ভ্যাংচায় মুখ!!
আমি কোন হরিদাস??
তবুও নোনা ভালবাসা
জাপ্টে রেখেছে
প্রতিদিন খেতে দেয় জল পানই
তুলোধোনা চলে ভেতর ভেতর!!
.
.
.

৪৫

দু`একটা এমন দিন আসে
এমনই
মণি শক্ত হয়
কান কিছুই শোনে না
শুধু বাঁশ পাতার মত ভাসতে থাকে
এ বাড়ির দেওয়াল ও বাড়ির ছাঁচ
চুল সাদা মানুষও।
কেউ কি জানো
ক’টা কারণ জন্মালে
মত পাল্টায় বাচ্চা মানুষ!!
কেউ কি জানো
ঠিক ক’টা কারণ ছুটে এলে
জন্মেই মানুষের বাচ্চা কাঁদে!!
ধেড়েরা কোন কোন মতলবে
পাল্টায় মত আর কাঁদে
ঠিক ঠিক বল্লে এটা অনেকেই বোঝে।
.
.
.

৪৬

আজ ভোরে কি বলব আকাশ খুব কেঁদেছিল
শীত ঐ যাব যাব করে।
কি হয়েছিল আকাশ তোর!
আজ তো ফিঙেটা বেরোইনি
বাসও টানেনি হামা!!
রহস্য কামড়ায় রহস্যকে!!
কিছু কি মানত ছিল তোর?
অকালে হারিয়ে যায় যত মাখামাখি
অস্থানে কুস্থানে মনের ঘামেরাও
চোরাস্রোতে মানুষও দোমড়ায়
তুই তাই এত রহস্য মাখিস আকাশ?
মহাকাল তোকে কি খেতে চায়?
কেঁপে ওঠে ভূত্বক
ঘাস লতা পাতা
আর বন মোরগের ডাক!!
.
.
.

৪৭

আমি কঠোর শাস্ত্র হাতে
তুমি আর উৎসব মিলে গেছ কবে!!
তুমি তো আমাকে ঘাড়ে
মস্তকে তুলবেই।
আহা কি সুন্দর লাগছে তোমাকে
আর কি বুদ্ধিমান।
প্রথম দিনের মত নয়
গতকালের মতও নয়।
কি ভেদশক্তি তোমার কথাদের
এক্স-রেও লজ্জায় গোঁজে ঘাড়!!
আর কি বানালে ঐ চোখটাকে
মন ছিঁড়ে বার করে গনগনে গোপন!!
.
.
.

 ৪৮

হৃদয়ের তাপে মন শেঁকতে চাওনি তুমি
আমি তোমারই জ্বরের তাপে কি ভাজা হই!!
যানা রে বাবুই তাল গাছেতে তোর বাসাতে
মরগে করগে যত পারিস ঐ হইচই।
নিঃসঙ্গ হই সব ব্যাপারে কাজে কথাতে
আমি তো আমার কেউ কি নেবে কাজের বোঝা?
দরকারে ডাক বাকি মিনিট ঘন্টা সব??
মৌমাছির গান সেকথা বলে বোঝাটা সোজা।
.
.
.

৪৯

আমি জানি অনেক কথা লুকোনো তোমার শরীর আর মনে,মাঝে মাঝে একদৃষ্টে চেয়ে থাকি তাই টিয়া-ঠোঁটের কোণে,তুমি হাস ভালবাসায় চিরে যায় মন বাঁশপাতার কাঁপ,অবাক তো হয়েছি কত বারবার তাই তুলেছি কত ছাপ!!
নিজস্ব ভূত্বকে তোর কলার ওঠানো নিঃশ্বাস জম্ম,আমার তো সেখানে থাকা এক ফ্যাল ফ্যাল উপস্থিতি কম্ম,তুমি হও শেষ কথাটি তুমি হও বল আমিই তো ফ্যালনা,করেছি তো নিজেকে আমি সহজ সস্তা ম্যাল ডানা ম্যালনা।
.
.
.

৫০

ভালবেসে ভালথাকা তোর বুকে মুখ রাখা এই হতচ্ছাড়া সময়ে,কৃষ্ঞচূড়ার রং রক্তে মেশালো ঢং মোহের আঁচলে মোহ মোহে!!
ভালবাসা ভালবাসা কত না দিল শক্তি সাহস,কেড়েও নিল আরো,কপালে একটা চিরস্থায়ী ছাপও মেরেছে দেখছি,অনেকটা পথ হাঁটা হল,হামাও টেনেছি কত!!
রাত নেই দুপুর নেই, মগজের কোষে কোষে তোর সশব্দ বিস্তার,কবে যেন হয়ে গেছি পোষ মানা পাখি, আর হায়, জোটে না দানাপানি সময়মতই!!
মাঝে মধ্যে ম্যাড়ম্যাড়ে রঙের বিলাপ,আমি যেন আমার মধ্যে আর নেই,গালে গন্ধ, বগলেও,হয়ে যাই বুনো কোন জীব,বলা ভাল যেচে বাছি বাঘের জীবন,ওরও কোনও বন্ধু হয় না,স্বজনও কি ওর নেই!!
নিরাপদ গুহা কেউ কি পেরেছে বানাতে??রহস্যে হার মানে চাঁদ সদাগর,রাজা দশরথ,আমি কোন ছার, কোনো এক বিদ্যাধরী বংশজাত নামমাত্র কবি!!মুচমুচে হাসিরা বিষ ছেটাচ্ছে গুহার ভেতর,ভালবাসা শিউরে উঠছে বারবার!!
পঞ্চাশটা বছর লাগে অধরা মাধুরীর ছোঁয়া পেতে!আর কত মিনিট সেকেন্ড খাবি?কাল যদি আমি রয়েল বেঙ্গল হই,যাদের কথায় নেচে অসহ্য অন্ধকারে ছুঁড়ে গেলি,বাঁচাবে তো তারা?তোর নিঃসঙ্গতায় আগাল বাগালেরা ডিস্কো ড্যান্সার?
আমার গুহায় রেখেছিস পাদপদ্ম,দিয়েছি রোজ তিল তুলসি,দিয়েছি চোখ ছেঁড়া জল,সেই কোন আঁধারের সকালে,আমি তো বেড়ি পরাইনি,যা যা ম্যালা জ্বালাস না,তোর টাকা-গুণ-গিটার-অহংকার সব নিয়ে যা,ঐ তো আমার উত্তরসূরী,আমার শরীর ছেঁড়া আনন্দ, আমার মতই গুহাবাসী হল,ভালবাসা আর কি দেখাবি আমাকে??
.
.
.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *